ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সঞ্চয় সীমা ২০ লক্ষ টাকায় কমিয়ে আনা হল

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সঞ্চ্যের সীমা ৬০ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখে নামিয়ে আনা হয়েছে। । প্রজ্ঞাপনে অবশ্য তারিখ দেওয়া রয়েছে গত ২০ মে এবং ওইদিন থেকেই তা কার্যকর।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ডাকঘর সঞ্চয় কর্মসূচিতে একক নামে বিনিয়োগ করা যাবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত, যা আগে ছিল ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত। আর যুগ্ম-নামে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা আগে ছিল ৬০ লাখ টাকা। এখন সেটি কমিয়ে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে।

এর পূর্বে  ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদহার প্রায় অর্ধেক কমিয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। তবে এ সঞ্চয় স্কিমে সুদহার কমানোর ফলে এক মাসের মধ্যে সংসদের ভেতরে, বাইরে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। সমালোচনার  মুখে ১৭ মার্চ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ  আগের হারে পূণঃনির্ধারন করা হয়। সেদিন থেকেই এটি কার্যকর করা হয়েছে।

ধারনা করা হচ্ছে যে,  জাতীয় সঞ্চয় পত্রের ক্রয় সীমা গত অর্থ বছর থেকে  কমিয়ে দেয়ার ফলে অনেক বিত্তশালীর অর্থ এবং কালো টাকা ডাকঘর সঞ্চয় পত্রে ঢুকে পড়ছিল। এতে সরকারের প্রচুর টাকা সুদ হিসাবে ব্যয় করতে হচ্ছিল। তাছাড়া ব্যাংকের সঞ্চয়ের সুদের সর্বোচ্চ হার ৬% কার্যকর হওয়ার কারনে  ব্যাংকের  সঞ্চয় যাতে ডাক ঘর সঞ্চয় ব্যাংকে চলে না যায় সেজন্য ব্যাংকের মালিকদের পক্ষ থেকেও চাপ থাকতে পারে।

বাংলাদেশে  সরকারি ও বেসরকারি খাতের অবসরপ্রাপ্তদের জন্য একটা দুঃসংবাদ। অবসরপ্রাপ্তগন চাকুরি শেষে  সরকার বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে এককালীন যা পেয়ে থাকেন তা এইসব  সঞ্চয় স্কীমে জমা রেখে যা মুনাফা  পাওয়া যেত ব্যয় নির্বাহে কাজে লাগাতো।  কিন্তু সঞ্চয়ের সীমা কমানোর ফলে তাদের জন্য জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহ কষ্টকর হবে বলে অনেকে মনে করছেন। 

 

সম্পর্কিত Desk Report

এছাড়াও চেক করুন

আরও ৭৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৫৫

দেশে করোfনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই একদিনে আরও দুই হাজার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *