শনিবার , মার্চ ৬ ২০২১
সদ্য সংবাদ

২০১৯-২০ অর্থ বছরের ১০ মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ১৩.০৯% , এপ্রিলেই ৮২.৮৫%

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জুলাই -এপ্রিল সময়ে মোট রপ্তানি হয়েছে ২৯,৪৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল মোট ৩৩,৩৯৭্মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার ২০১৯-২০ অর্থ বছরের একই সময়ে রপ্তানি  টার্গেট ছিল ৩৭,৪৪৮  মিলিয়ন  মার্কিন ডলার। বিগত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে রপ্তানি শতকরা হারে কমেছে ১৩,০৯%। আবার বর্তমানে অর্থ বছরের জুলাই-এপ্রিলের টার্গেটের চেয়ে ২১.২৪% কম রপ্তানি হয়েছে।
পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতে এই ১০ মাসে রপ্তানি কমেছে ১৪.০৮ % এবং লক্ষমাত্রার চেয়ে ২২.১৪% কম। এই খাতের নীট উপ খাতে রপ্তানি কমেছে ১৩.৮৫ % এবং ওভেন উপখাতে কমেছে ১৪.৩১ %। একই সময়ে পাটজাত রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি ঘটেছে ১১.৩৯ %।
কিন্তু এপ্রিল মাসে রপ্তানিতে ধস নেমেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের এপ্রিল মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫২০.০১ মিলিয়ন ডলার  যা বিগত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮২.৮৫% কম এবং ২০১৯-২০ এর এপ্রিলের লক্ষমাত্রার চেয়ে ৮৫.৩৭% কম।

মার্চ মাসে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬,২৪% এবং  বর্তমান বছরের লক্ষ্মত্রার চেয়ে ১৪.৫২% কম ছিল। অর্থাৎ কোভিড-১৯ প্রাদূর্ভাবের আগে থেকেই রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা যাচ্ছিল।
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে যদি রপ্তানির বর্তমান নেতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকে তাহেলে ধারনা করা যায় যে বর্তমান অর্থ বছরের শেষ তথা মে-জুন নাগাদ রপ্তানি গত বছরের মে-জুন মাসের চেয়ে প্রায়  ৫.০০বিলিয়ন ডলার কম হবে। অর্থাৎ বিগত অর্থ বছরের চেয়ে প্রায় ২৪% কম আয় হবে। তবে মে-জুন মাসে রপ্তানি আয়ে যদি উল্লম্ফন ঘটে তাহলে এই চিত্রটা পাল্টে যেতে পারে। এপ্রিল -মে মাসে কিছু পোশাক কারখানা খুলে যাওয়ায় কিছুটা হলেও রপ্তানির নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হ্রাসে সহায়তা করবে।

সম্পর্কিত Desk Report

এছাড়াও চেক করুন

ই-জিপি সম্প্রসারণে ৪ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

ক্রয় পদ্ধতিতে ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা বা ইলেক্ট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) আওতা বাড়াতে বাংলাদেশকে চার কোটি ডলার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।